ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা
দল আসন বিজেপি ২৪৪ কংগ্রেস ৯৮ তৃণমূল ২৯ এসপি ৩৪ ডিএমকে ২২ টিডিপি ১৬ জেডিইউ ১৩ শিবসেনা (উদ্ধব) ৯ এনসিপি (শরদ) ৭ সিপিআইএম ৪ আরজেডি ৪ এলজেপি ৫ ওয়াইএসআরসিপি ৪ সিপিআই ২ জেডিএস ২ আপ ৩ জেএনপি ২ সিপিআইএমএল ২ বিজেডি ১ ডিসিকে ২ আরএলডি ২ জেএমএম ৩

কোয়ালিশন সরকার গঠনের পথে ভারত

  • আপলোড সময় : ০৪-০৬-২০২৪ ০৯:৫৬:৪৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৫-০৬-২০২৪ ১০:০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
কোয়ালিশন সরকার গঠনের পথে ভারত কোয়ালিশন সরকার গঠনের পথে ভারত
 জনতা ডেস্ক
ভারতে লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে রয়েছে। ফলাফলে এটা স্পষ্ট যে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ। ফলে জোটবদ্ধ হয়েই সরকার গঠন করতে হবে দলটিকে। অন্যদিকে জয়ের ধারায় ফেরায় শেষ পর্যন্ত বড় চমক দেখিয়েছে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট।
বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ ভারতে সাত দফার বিশাল নির্বাচনী যজ্ঞ শুরু হয় গত ১৯ এপ্রিল। টানা দেড় মাস পর গত শনিবার (১ জুন) শেষ হয়। পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ৫৪৩ সদস্যের লোকসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে একটি দল বা জোটের ২৭২টি আসন প্রয়োজন। তবে ভোট শেষ হওয়ার পরপরই প্রকাশিত বেশিরভাগ বুথফেরত জরিপই জানায়, এনডিএ জোট ৩৫০টির বেশি আসন পেতে পারে এনডিএ। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরতে পারেন মোদি। বুথফেরত জরিপের ফলাফলে বেশ উচ্ছ্বসিত ও উজ্জীবিত হয়ে ওঠে গেরুয়া শিবির। তবে ইন্ডিয়া জোট বুথফেরত জরিপ ‘ভুয়া’ বলে উড়িয়ে দেয়। জোটের নেতারা বলেন, ভোটের ফলাফল হবে বুথফেরত জরিপের ‘পুরোপুরি’ উল্টো। চারদিনের মাথায় গতকাল মঙ্গলবার যখন ভোট গণনা শুরু হলে দেখা গেল, আনুষ্ঠানিক ফলাফলের সাথে মিলছে না বুথফেরত জরিপের ফল।

নির্বাচনী প্রচারণায় মোদির স্লোগান ছিল ‘আব কি বার, ৪০০ পার’। কিন্তু এবার সেই আশার গুড়েবালি। ভোট গণনা শুরু হওয়ার পরই পাল্টে যেতে শুরু করে সব সমীকরণ। সময় যত গড়িয়েছে, এনডিএ ও কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোটের মধ্যে ব্যবধান তত কমেছে। নির্বাচন কমিশনের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, বিজেপি ২৪৪টি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট পেয়েছে ২৩২টি আসন। গতবার অর্থাৎ ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ জোট পেয়েছিল ৩৫৩টি আসন। আর বিজেপি এককভাবে জিতেছিল ৩০৩টি। এবার নির্বাচনী প্রচারণায় মোদি বলেছিলেন, বিজেপি এককভাবে ৩৭০টি আসনে জিতবে। কিন্তু আনুষ্ঠানিক ফলাফলের প্রবণতায় দেখা যাচ্ছে, তাতে বিজেপির সম্মান টেকানোই দায় হয়ে যাবে বলে মনে হচ্ছে। গণনা শুরু হওয়ার পর আট ঘণ্টারও বেশি সময় পার হলেও ফলের মূল প্রবণতা খুব বেশি পরিবর্তিত হয়নি। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ৩০০ দূরে থাক এবার বিজেপির ২৭২ আসনের প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হিমশিম খেতে হবে। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, দলটি ২৪৪টি আসন পেয়েছে। যা দল ও প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম।

বিজেপি ২০১৯ সালে এককভাবে ৩০৩টি এবং ২০১৪ সালে ২৮২টি আসন জিতেছিল। আর বিরোধী কংগ্রেস ২০১৯ সালে ৫২টি এবং ২০১৪ সালে ৪৪টি আসন জিতেছিল। এবার জয়ের ধারায় ফিরেছে কংগ্রেস। এখন পর্যন্ত ৯৮টি আসন পেয়েছে দলটি। জোটগতভাবে পেয়েছে ২৩২টি। শেষ পর্যন্ত একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে জোট সরকারের পথেই হাঁটতে হবে। সেক্ষেত্রে  নির্ভর করতে হবে অপেক্ষাকৃত ছোট দলগুলোর ওপর। জোট সরকারে পার্লামেন্টে কোনো সিদ্ধান্তই আর নিজের মতো করে নিতে পারবে না বিজেপি। এমনটাই বলছেন বিশ্লেষকদের একাংশ। লন্ডনভিত্তিক অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি আলকুইটি’র মাইক সেল বলেন, এই মুহূর্তে ভোটের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বিজেপির সাথে পরবর্তী সরকার গঠনে এনডিএ-এর সমর্থন। তার মতে, বিজেপিকে এনডিএ-এর সমর্থন সরকারের নীতির ধারাবাহিকতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য